Search This Blog

Thursday, December 9, 2010

বাংলাদেশের সীমানা অতিক্রম ও দার্জিলিং এর দিকে গমন...

এ বছর আমারা চারজন (আমি সাদেকুর রহমান, জাহেদুল আলম, মাহমুদ হাসান ও আবদুল্যাহ ভাই) ঠিক করলাম HMI ট্রেনিং করব, আমি যতদুর জানি এটা জাহেদ ভাই এ অনেক দিনের স্বপ্ন, তিনি আমাকে ও  অনেক সাহায্য করেছেন, আমি তার কাছে কৃতজ্ঞযা কথা তা কাজ পাসপোর্ট করলাম, ভিসার জন্য ইন্ডিয়ান হাইকমিশনার অফিসে দরখাস্তের মাধ্যমে ৩০দিনের ভিসা নিলাম, এস.এ. পরিবহনের মাধ্যমে ঢাকার গাবতলি কাউন্টার থেকে রাতের গাড়িতে চড়লাম পথে  আমাদের নজরে এল বাংলাদেশের বৃহত্তম সেতু (যমুনা সেতু) , বগুড়ার সাতরাস্তা সহ আরো অনেক সুন্দর সুন্দর যায়গা যদিও রাতের কারনে  উত্তর বঙ্গের অনেক মনোরম দৃশ্য অবলোকন করা সম্ভব হয়নিসারারাত গাড়ি চলতে চলতে চলে গেল লালমনিরহাট জেলার পাটগ্রামের সীমানার শেষপ্রান্তে বুড়িমারি সীমান্তে (যেখানে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে যোগাযোগের একটি রাস্তা আছে) ভোর হয়ে গেল, পাখির কিচির মিচির শব্দে ঘুম ছুটে গেল গাড়ি থেকে সবাই নামলাম হাত মুখ ধুয়ে পাশের বুড়ির হোটেলে নাস্তা করলাম তারপর বাংলাদেশ সীমান্ত অফিসে আমাদের কাগজপত্র ঠিক করে লাইনে দাঁড়ালাম একজন একজন করে চেক করে চেকপোস্ট পেরিয়ে গেলাম ভারতের সীমান্তে যার নাম চেংরাবান্ধা সেখানে ও আমাদের কাগজপত্র ঠিক করলাম এবং চেকপোস্টে পার হয়ে ছুটলাম শিলিগুড়ির উদ্দেশ্যে কারন সীমান্ত থেকে দাজিলিং এর সরাসরি লোকাল  বা সরাসরি গাড়ি নেই, রির্জাভ গাড়িতে যাওয়া যায় সে জন্য বেশী ভাড়া গুনতে হয়

জাহেদ ভাই একটা লোকাল বাসের টিকেট নিল আমরা তিনজন বাসের চাদের উপর উঠে পড়লাম শুধু জাহেদ ভাই বাসের ভিতরে, পরে জানতে পারলাম এই গাড়িটা জলপাইগুড়ি যাবে তাই পথে আমাদের আবার গাড়ি পরিবর্তন করে অন্য একটা গাড়িতে উঠলাম, ঠিক দুপুরের একটু পরে গিয়ে উঠলাম জলপাইগুড়িতে কিছুক্ষন পরে বাবু ভাই আসলেন তিনি আসলে স্কী কোর্স করতে মানালী গিয়েছিলেন, বাবু ভাই আমাদের শ্রদ্ধেয় তিনি আমাদের অনেক সহোযোগীতা করছেন আমারা সবাই তার কছে কৃতজ্ঞহাত মুখ ধুয়ে আমরা বাবু ভাই সহ একটি হোটেলে দুপুরের খাওয়া সেরে নিলাম, জাহেদ ভাই সিদ্বান্ত নিলেন যে, তিনি লোকাল বাসে যাবেন তাই টিকিট নিলেন দুইটা, কারণ হাসান, আবদুল্যা ও বাবু ভাই রির্জাব জীপে করে দাজিলিং যাবেন HMI ইনিস্টিটিউটে তাই তারা আমাদের আগে গিয়ে উঠলেন এবং খাতায় নাম লিখলেনলোকাল গাড়ি আমাদের কে দাজিলিং শহরে নামিয়ে দিল সন্ধার একটু আগে তাই আমরা বাকি পথ হেটে হেটে চললাম HMI ইনিস্টিটিউটের দিকে, যেতে যেতে সন্ধ্যা হয়ে গেল ১-২কিঃমিঃ পথ অতিক্রম করে পিছনের গেইট দিয়ে আমরা ঢুকে পড়লাম ইনিস্টিটিউটের ভিতরে, সমানের গেইট সন্ধার সময় বন্ধ হয়ে যায়আমরাও নাম লিখলাম খাতায় আরো লিখলাম, কে কি খাবো ভেজিটেবল নাকি নন ভেজিটেবলতারপর আমাদরে একটা রুম দেখিয়ে দিল থাকার জন্য আমরা ব্যাগ রেখে হাত মুখ ধুতে গেলাম কিন্তু কোন পানি পেলাম না এখানে পানি সীমিত যারা আগে হোস্টেলে ঢুকছে তারা শেষ করে ফেলছে এর মাঝে খাওয়ার ঘন্টা পড়ে গেছেআমরা খাওয়া সেরে বিছানায় শরীরটা মিলিয়ে দিলাম কারণ অনেক পথ অতিক্রম করে আমরা এখন অনেক ক্লান্ত

ভোরে (৪.৩০মিঃ) উঠে লাইন দিলাম বাথরুম ব্যবহার করার জন্য , সকালে  (.০মিঃ) টি ব্রেক এবং (৬.৩০)শুরু হবে ট্রেনিং

No comments:

Post a Comment